দিন ফুরাবার আগে শুভ হোক লিখে বাঁকা পথ পেরিয়ে
সোজা পথ হেঁটে তোমাকে খুঁজবো
ততক্ষণে পাড়ার সাঁওতাল মেয়েরা ঝাঁকে ঝাঁকে
উদ্দেশ্য বিহীন পথে হেঁটে যাবে
দিন ফুরাবার আগে শুভ হোক লিখে বাঁকা পথ পেরিয়ে
সোজা পথ হেঁটে তোমাকে খুঁজবো
ততক্ষণে পাড়ার সাঁওতাল মেয়েরা ঝাঁকে ঝাঁকে
উদ্দেশ্য বিহীন পথে হেঁটে যাবে
পরিত্যক্ত সব পড়ে আছে অমরত্ব সমাধি করে সুশান্ত হালদার আমরা, আমাদের বাড়ি ভুলে গেছি,জানালার ওপাশটায়যেখানে বৃষ্টিতে ভিজে থাকতোবর্ষার মালতী ঘেরা গন্ধ বকুল যুঁই চামেলি কিংবা বনফুল শেফালীএদিকটায়…..যেখানে সারমেয় ব্রুনো বাঁধা থাকে বারান্দায়তারই সামনে বাবা ঘুমায় চিরনিদ্রায়তারই...
দৃশ্যের অদৃশ্য শামীম নওরোজ নেপথ্যে আঁধার ছিলো। নেপথ্যে পালক… অদূরে বসে আছে শিকারি একা। সে দিকে যায় না কেউ। অসহায় পাখি। ব্যাধ এসে এলোমেলো করে দেয় পাখির নিবাস। লোকালয়ের পাখিবাস সরে যাচ্ছে দূরে। মৃত্যু এসে বসে আছে অন্ধকারে। চালের উপর। নেপথ্যে কিছুই ছিলো না। নেপথ্যে...
কোনকিছুর দিকে বহুক্ষণ তাকিয়ে থেকো না,
দীর্ঘ দৃষ্টিরও একসময় শোক জন্মায়।
আমি বহু বছর ধরে
নিজেরই ভাঙা দরজায় কড়া নেড়ে ফিরছি।
কেউ সাড়া দেয় না,
শুধু ধুলো উড়ে এসে আমাকে ঢেকে রাখে।
পৃথিবীর হাঁটি হাঁটি পা হয়ে আমার চোখ যায়
সৌরমণ্ডলের মতো নির্বাক ঘূর্ণিতে পড়ে
প্রচণ্ড তৃষ্ণা বুকপকেটের কলমদানিতে রাখি-
আমার কফির কাপে
দুধ আর চিনির বিয়োগ শেষে
গুণ করতে বসি আচমকা হারিয়ে যাওয়া
তোমার চোখ, কপোলের টিপ আর পাশাপাশি হেঁটে যাওয়া।
বাকি হিসাব শরৎ চৌধুরী “আব্বাজান, আপনি নড়বেন না।” কথাটি কাকে বলেছিলাম, পরে আর নিশ্চিত হতে পারিনি—আব্বাজানকে, তাঁর কবরকে, না কবরের নিচের মাটিকে; যে মাটি তখন পানির ধাক্কায় ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছিল। মৃত মানুষ নড়ে না—কথাটা পুরোপুরি সত্য নয়। তাদের কবর নড়ে। নামফলক সরে...
গোলামালীর রস কিচ্ছা আশরাফ উদ্দীন আহ্মদ আশ্বিনের অপেক্ষা শেষ হয়ে কার্তিক পড়তেই মন চনমনিয়ে ওঠে। মনের মধ্যে দোলা লাগে, মন দোলায়িত হয়। সে দোলায় বাকবাকুম বাকবাকুম ডাকটা বেশ টের পায় গোলামালী। কার্তিক-অঘ্রাণে হালকা শীত-শীত একটা আমেজ শরীর মনকে ঠান্ডা রাখে। পৌষ মাঘ ফাল্গুন...
বৃষ্টির জলে এককাপ চা আলতাফ শেহাব ১.চিৎকার চেঁচামেচি। ফ্লোরে আছড়ে পড়া পাতিলেরর ঝন্ঝনানি। চোখ খুলতে কষ্ট হচ্ছে। ঘড়িতে ভোর ছ’টা ত্রিশ। ন’টায় অফিস। নিদেনপক্ষে আরো ত্রিশ মিনিট বিছানায় গড়িয়ে নেয়া যেত। ছুটে গেলাম রান্নাঘরে। রাগে গরগর করছে সে, ফ্লোরে ছড়িয়ে পড়েছে পাতিলের দুধ।...
অদৃশ্য নেটওয়ার্ক শাদমান শাহিদ জেসিকার সঙ্গে পরিচয় হয় ময়মনসিংহে। কবি-লেখকদের একটি সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছিলাম। দেখি সে পেন্ডেল থেকে বেরিয়ে একটু নিরাপদ দূরত্বে মেড্ডা গাছে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে সিগারেট ফুঁকছে, চোখ তার ব্রহ্মপুত্র নদের ওপারে, যেখানে দিকচিহ্নহীন দূর...
বসন্তের জানালায় যমদূত উম্মে সালমা নাতিশীতোষ্ণ বসন্তের রাত্রি… দখিনা বাতাস জানালায় দোল খাচ্ছে... আমি আরামে বসে হিসেব কষছি, চূড়ান্তহিসাব; তবে তা ঠিক...
নৈতিক বিচারের ভিত্তিঃ একটি মার্কসীয় পর্যালোচনা জাভেদ হুসেন [প্রবন্ধটি রচিত হয়েছে ১৯৯৭ খৃষ্টিয় সনের মাঝামাঝি, বর্তমান পর্যন্ত এতে পরিমার্জন বা...
প্রজন্মভরা বিচ্ছিন্নতা ফারুক ওয়াসিফ এক অন্তহীন ধারার মতো মানুষ তার পরের মানুষের কাছে এসে দাঁড়ায়। উত্তর-মানুষ তাঁর পূর্ব-মানুষের হাত ধ’রে...
যদি কোনও নির্জন গহ্বর খুঁজে পাওয়া না যায়
ফুল ও বৃক্ষে সুরভিত মাঠ খুঁজে নেব
আলতোভাবে তোমাকে ছড়িয়ে দেব
ফুলের পাপড়িতে ছড়িয়ে থাকা পরাগের মতো।
লু স্যুনের চীনা গল্প অনুবাদ: মাহফুজ উল্লাহ ১৯১৮ সালের মে মাসে সে সময়ের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সবচে প্রভাবশালী পত্রিকা ‘নতুন যৌবন’ এ প্রকাশিত ‘এক পাগলের ডায়রী’ গল্পটি ছিল চীনা সামন্ত...
উইলিয়াম ফকনারের নোবেল বক্তৃতা অনুবাদ: খাদিজা ভূঁইয়া [নোবেল জিতেছিলেন ১৯৪৯ সালে, তার উপন্যাসগুলোর জন্যে,সংখ্যায় মোট ১৮ টি। জন্মেছিলেন অক্সফোর্ডের...
শহীদুল জহিরের ছোটগল্প ডলু নদীর হাওয়া [গল্পকার, ঔপন্যাসিক শহীদুল জহির ১৯৫৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর পুরান ঢাকার নারিন্দার ৩৬...
জহির রায়হানের ছোটগল্প সময়ের প্রয়োজনে [বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র জহির রায়হান একাধারে ছিলেন...
বদরুদ্দীন উমরের প্রবন্ধ বাঙালী সংস্কৃতির সংকট [এই প্রবন্ধটি লেখকের ‘সংস্কৃতির সংকট’ বইয়ে ১৯৬৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।...
সম্পাদকীয় ৫ বর্ষ. ৭ সংখ্যা. ফাল্গুন ১৪১০. ফেব্রুয়ারি ২০০৪ মোড়ক খুলেই সুদৃশ্য কুপনটি ড্র করুন, জিতে নিন বাহারি পুরস্কার- জাতীয় এ কুমির সময়...
সম্পাদকীয় ৩ বর্ষ. ৬ সংখ্যা. ভাদ্র ১৪০৯. সেপ্টেম্বর ২০০২ দীর্ঘ বিরতির পর আবার পথ চলার উদ্যোগ কিছুটা বিদঘুটে বটে, কিন্তু সে পথ যদি গন্তব্যের পথে...
সম্পাদকীয় ২ বর্ষ. ৪ সংখ্যা. আষাঢ় ১৪০৮. জুন ২০০১ বাংলা কবিতায় বিগত দশক ধ’রে অদ্ভূত মরীচিকা জমছে। একটি অপূর্ব ফাঁক আছে যার মাঝ দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে...
মো. ইকবাল হায়দার চিত্রশিল্পী ও ডিজাইনার। জন্ম ১৯৭৮ সালের ৪ অক্টোবর, ঢাকায় । পড়াশোনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষোদ থেকে ছাপচিত্রে স্নাতকোত্তর। ছাত্রাবস্থায় ২০০০ সাল থেকে চারুকলা অনুষদে অনুশীলন কালে বহু দেশি ও আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপে অংশগ্রহন করেন। ওয়ার্কশপ গুলোর...