বাংলা কবিতা
অর্ধেক কবিতা
তারপর টুপ করে দেব নিখোঁজ উড়াল,
তুমি একবার দেখবে—আবার দেখবে না;
যেন সর্বত্র আছি কিন্তু কোথাও নেই!
তোমার উদ্ভ্রান্ত দুপুরের তোলপাড়
অপেক্ষায় থাকবে আমার উঁকিঝুঁকির…
মাইলস্টোন ও অন্যান্য কবিতা
ছোট পাখি, ঘাসফুল
ঝরে যাওয়া ছোট্ট বকুল
ভালো থেকো তোমরা—
দূর আকাশের নব নব তারা।
উপসংহার এভাবেও ভাবা যায়
দিন ফুরাবার আগে শুভ হোক লিখে বাঁকা পথ পেরিয়ে
সোজা পথ হেঁটে তোমাকে খুঁজবো
ততক্ষণে পাড়ার সাঁওতাল মেয়েরা ঝাঁকে ঝাঁকে
উদ্দেশ্য বিহীন পথে হেঁটে যাবে
পরিত্যক্ত সব পড়ে আছে অমরত্ব সমাধি করে
আমরা কি আমাদের পথ ভুলে গেছি কদম ভাসা বর্ষার জলে?
নাকি ডুবোচাঁদ জোছনার মিহি ছায়াতলে
যে নক্ষত্র জেগে আছে জীবনানন্দ বাসর করে
তারই আলোকোজ্জ্বল ছায়াপথ ধরে হেঁটে যাব সূর্য্য-অস্ত গোধুলিয়ার দিকে,
যেখানে ধূধূ মাঠ পরিত্যক্ত পড়ে আছে অবিনাশী সব অমরত্ব সমাধি করে!
দৃশ্যের অদৃশ্য
নেপথ্যে আঁধার ছিলো। নেপথ্যে পালক…
অদূরে বসে আছে শিকারি একা।
সে দিকে যায় না কেউ। অসহায় পাখি।
ব্যাধ এসে এলোমেলো করে দেয় পাখির নিবাস।
লোকালয়ের পাখিবাস সরে যাচ্ছে দূরে।
মৃত্যু এসে বসে আছে অন্ধকারে। চালের উপর।
নেপথ্যে কিছুই ছিলো না। নেপথ্যে আঁধার…
দৃষ্টিরও শোক জন্মায়
কোনকিছুর দিকে বহুক্ষণ তাকিয়ে থেকো না,
দীর্ঘ দৃষ্টিরও একসময় শোক জন্মায়।
আমি বহু বছর ধরে
নিজেরই ভাঙা দরজায় কড়া নেড়ে ফিরছি।
কেউ সাড়া দেয় না,
শুধু ধুলো উড়ে এসে আমাকে ঢেকে রাখে।
একগুচ্ছ কবিতার নামতা
প্রচণ্ড তৃষ্ণা বুকপকেটের কলমদানিতে রাখি-
আমার কফির কাপে
দুধ আর চিনির বিয়োগ শেষে
গুণ করতে বসি আচমকা হারিয়ে যাওয়া
তোমার চোখ, কপোলের টিপ আর পাশাপাশি হেঁটে যাওয়া।
অনর্থক সময়ের গল্প
নতুন সম্ভারে সাজবে না বনকুল
পাখির সংসারে দেখবো না নতুন ছানাপোনা
নিঝুম শব্দ জেগে থাকে শরীর এবং বৃন্তে আলোর রেখা ছুটছে দিক বিদিক
চারপাশে এত অন্ধকার -নিশ্চুপ -ক্লান্তি
নগর পেছনে ফেলে ছুটে যাচ্ছে বন্দি হৃদয়ের শব্দ
জখমচিহ্ন
এ-জীবন থ্রিলার জগত, একান্তের ওয়েব সিরিজ—
যখন হয়েছে রাত্রি, এবং শোনো,
নিভৃত ইচ্ছে-রাখাল তুমি
রঞ্জিত চাঁদের সাথে গাইছ উড্ডয়নের গান—









