বাংলা কবিতা
অল আউট গেম
কথা বলায় বারণ আছে। কারণ আছে
কারণ আছে, শেয়ালেরও ভয়; পাছে –
যদি, আমজনতা জেনে যায় –
কখন যায়, কখন আসে।
ইঁদুর দৌড়
এ দৃশ্যে কোথাও তাকে দেখবে না আর
কবিতার আকাশে উড়িয়েছিল যে ছাউনি
এখন সেখানে রাত দিন রঙিন বেড়াল
ইঁদুরের খোঁজে উতপাত
চিচিং ফাঁক
ইদানিং সংখ্যায় কবিতা অনেক বেড়ে গেছে
অথচ পাখি কমছে
নদী কমছে
আকাশ একটা
সূর্যও মাত্র একটা
যতিচিহ্নের রতি
চোখের ভাষার কোন দাঁড়ি কমা থাকতে নেই
এই থাকতে এইসব যাপনের যাত্রা কৌশলে
অমিয় বাগানে ঢোকা কিংবা তার স্বভাবের
অদৃশ্য এক কবিতা পাঠ মুগ্ধ করে আমাকে
শহরজুড়ে কৃষ্ণচূড়ার কানাকানি
শহরজুড়ে কৃষ্ণচূড়ার কানাকানি
কফিশপের দোকানে ধোঁয়া ওঠে পুরোনো চুমুকের
এ কথা কে বলে দিয়েছে
আমার শহরে তোমার পা পড়েছে
তোমার চোখে পড়েছে রবীন্দ্র সরোবরের নিস্তব্ধতা।
অর্ধেক কবিতা
তারপর টুপ করে দেব নিখোঁজ উড়াল,
তুমি একবার দেখবে—আবার দেখবে না;
যেন সর্বত্র আছি কিন্তু কোথাও নেই!
তোমার উদ্ভ্রান্ত দুপুরের তোলপাড়
অপেক্ষায় থাকবে আমার উঁকিঝুঁকির…
মাইলস্টোন ও অন্যান্য কবিতা
ছোট পাখি, ঘাসফুল
ঝরে যাওয়া ছোট্ট বকুল
ভালো থেকো তোমরা—
দূর আকাশের নব নব তারা।
উপসংহার এভাবেও ভাবা যায়
দিন ফুরাবার আগে শুভ হোক লিখে বাঁকা পথ পেরিয়ে
সোজা পথ হেঁটে তোমাকে খুঁজবো
ততক্ষণে পাড়ার সাঁওতাল মেয়েরা ঝাঁকে ঝাঁকে
উদ্দেশ্য বিহীন পথে হেঁটে যাবে
পরিত্যক্ত সব পড়ে আছে অমরত্ব সমাধি করে
আমরা কি আমাদের পথ ভুলে গেছি কদম ভাসা বর্ষার জলে?
নাকি ডুবোচাঁদ জোছনার মিহি ছায়াতলে
যে নক্ষত্র জেগে আছে জীবনানন্দ বাসর করে
তারই আলোকোজ্জ্বল ছায়াপথ ধরে হেঁটে যাব সূর্য্য-অস্ত গোধুলিয়ার দিকে,
যেখানে ধূধূ মাঠ পরিত্যক্ত পড়ে আছে অবিনাশী সব অমরত্ব সমাধি করে!









