যতিচিহ্নের রতি
জহির খান
চোখের ভাষার কোন দাঁড়ি কমা থাকতে নেই
এই থাকতে এইসব যাপনের যাত্রা কৌশলে
অমিয় বাগানে ঢোকা কিংবা তার স্বভাবের
অদৃশ্য এক কবিতা পাঠ মুগ্ধ করে আমাকে
এই আমি কখনো বনশ্রী কাতর না হই- কবিতা
হই তার উত্তর আধুনিক এক প্রজন্মের ফোরাম
নদী দেখি দেখি আমার এক ভিন্নচোখ
চিত্রনাট্য করি সোশ্যাল মেনারিজম
লোন হয় শতকের ঘর, পোড়ায় জলের ছবি বন্ধু
ভুলে যেতে হয় তাই ভুল করি দাড়ি কমা কোলন
বিগলিত দৃশ্যপট
বুক পকেটে নিয়ে হাঁটি চৈত্রের দুপুর
দৃশ্যত এক কবিতা হবে প্রিয় সময়
তাহারা যাত্রার বিকেল হয়ে ফিরবে
বা নাই ফিরে আসুন আর এই তল্লাটে
দুপুরের সুমিষ্টঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ুক পাড়ায়
গলির মুখ থেকে বেড়িয়ে আসুক কবি
টিউব টাইপ সন্ধ্যায় নেমে আসুক পাহাড়
এখন
পাতারা ভুলে বসুক দীর্ঘ এক ছায়াশরীর
ফেকহী কিতাবাদী আলোর মুখ-
ধরে রাখি খা খা রোদ পরস্পরে
বিজুলী আলোক
যায় সেই আরো এই একটি নতুন পৃথিবীর মায়া
গায়ে পায়ে নিয়নের আলো পড়ে মনে পড়ে যাপন
মনে করে নেয় দেয় মায়ামেঘ ধুলিমাখা উঠোন
লাল এক দীর্ঘ চিন্তা উড়ে যায় সেই- আকাশ
কালোজামা পড়া বণিকের ফার্ম হাউজের চাপ
নিলাম হয় মানুষের ভিতরের মানুষ আর চিন্তা
একজোড়া ডায়নোসর বাবার পিঠে উঠে উঠুক
জল তৃষ্ণায় ক্লান্তিতে বেঁচে থাক- থাকুক মুখ
দিন মাস বছর কতো কথা বেঁচে থাকে তাহলে
এখন প্রমিথিউস তীব্র প্রতিবাদ হয় মানুষ হোক
বটবৃক্ষকে সামনে রেখে এগুতে পারি ঠিক ঠিক
জঠর অনুরাগ
ওরে বাতাস ধমক চিরচেনা আহ্লাদিত সুখ
উড়ে এসে জুড়ে নেয় উত্তাল ছায়ামাঠ
ধরে রাখে একবুক নীরব ঘোর- উত্তরের
বসে থাক তুই তোর পূবের মায়া- পূরাণ
অচল মূদ্রার থলে হাতে চৌরাস্তায়
রাতবিরাতে দেখ হাতপাখা ঝড়- হাওয়া
সুনিদ্রায় যাক চৈত্রের ঘুম পরিপাটি বিছানায়
চলে যাক কান উড়িয়ে নেয়া এক অসুখ রাত
মাগী পশ্চিমে যাত্রা শুভ হোক কাল
এরপর দক্ষিণ দিকের হাওয়ায় বাড়ুক হাসুক
যত্রতত্র এক গভীর ঘুমে প্রিয়তুর জরায়ুর মুখ
দুধভাত কবিতা
কোথাও উঁচু কোথাও নিচু
স্বরে বা সুরে শালিকের ওড়াউড়ি
উড়ে অন্যরাও- প্রবল আস্থা
দূরের আকাশ দূরে রয়
দুধভাত মন্ত্র পড়ে ঋষি পাখি
গোল হয় মানুষের চিন্তা
ঘোরে অঘোর সম্পর্কে ভাটা পড়ে
ফিরে আসে রূপালী সন্ধ্যা প্রিয়তু
এখন শালিকেরা ফিরে তীরে উঠে
অন্ধকারে শালিক মানুষ বন্ধু হয়
ভেদাভেদ হয় ঝগড়া হয়- মানুষ
আমিতো কবিতা লিখি স্যার
আমার নাক বরাবর ভদ্রলোক
আবহমান বাংলার নৌকায় চড়েন
বাংলায় কথা বলেন বাংলা গান করেন
উদার এক লাল সবুজের নদী হয়ে উঠেন
ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন যে ভদ্রলোক
উনিইতো সবুজ সোনালী ধানের চাষ করেন
লাঙলের ফলায় খুব ই মায়ার কায়ায় ফসল
ভালোলাগে- খুবই জরুরী ভালোবাসা বন্ধুগো
ডানপাশের ভদ্রলোক উনি অদৃশ্য এক শক্তি
দাড়িপাল্লা নিয়ে বণিক চেয়ারে বসে থাকেন
ভীনদেশী প্রোডাক্ট কেনাবেচা করেন- ঠকান
বামপাশের ভদ্রলোক ও দেশেই থাকেন
দেশের কথা হয় ভালোবাসেন লাল দল
রাজপথের মহান শ্রমজীবী মানুষের কথা
ভদ্রবাড়ীর কেউ কেউ রাতের অন্ধকারে
হয়ে উঠেন চায়না প্রোডাক্ট দালাল চক্ষু
ঘেন্নাপিত্তি-প্রতিবাদ মহামান্য আদালত থু
অতঃপর
কারাে গহীন বনে সুন্দরের ভাগ বসাতে চাইনি
আমি কবিতা লিখি লিখতে হয় তাই-
বই চুরি করেছি বউ চুরি করিনি করবোও না
কবিতাই লিখতে আসছি ছলা গল্প করতে নয়


০ টি মন্তব্য