বাংলা কবিতা
সমগতি
এ গতি নামে শুধু মহূয়ার কাছে
অবাধ বিলাপে ময়ূর নাছিছে শুধু
প্রস্তুত বালিকার কাছে থেমে গিয়ে
এপিটাপ
ক্লান্তিকর কুয়াশা জড়িত এই বিকেলে
মৎসকন্যার তামাটে ছবি;
ফ্রেমে বাঁধা রাইনোদের অসমাপ্ত যুগ;
কুচিলাপাতা
সুদৃশ্য কুচিলাপাতা যে লতায় ঝুলে থাকে সে অতি সামান্য
তার জন্য কোনো উৎসব গৃহ সেজে উঠে না
দু’হাত প্রসারিত করে এগিয়ে আসে না কেউ
অহংকারী মালা নিয়ে-
দুপুর মিত্রের কবিতা
শুনেছি, নয়আনি বাড়ীর নাটমন্দিরে কোন এক মেয়ের কান্না শুনা যায় প্রতিদিন। তাই অনেক লোক নাট মন্দিরের সৌন্দর্য দূর থেকে দেখেই বিস্মিত হওয়ার চেষ্টা করে।
এই কোকিলের স্বরলিপি
সব আয়োজন করে বন্ধ্যা হ’য়ে যাই
সময়ের আজন্ম-লাল গহীনে তাকাই
রথী-মহারথীরা অভিশাপ দিয়ে যান
বেলা শেষে সিঁড়িঁ ভাঙ্গে জলজোছনার ঘ্রাণ।
জলমগ্ন সান্ধ্য মোহনা
হায়! ভালবাসা
তোমার ন্যাক্কারজনক রেস্তোরায়
অগি্ন জে্বলোনা আর আমাকে দেখে।
আহা! কি সংকলনে বিধাতার পিতা
পে্রম পে্রম খেলেছিলেন আমাদের সাথে।
স্মৃতিমুগ্ধ শুষ্কপত্রদিন
ভাষার বৈরিতায় বাক্যহারা সবাই। ওরা জানে এইখানে
সুদূরের ডাক। ওরা জানে এখানে প্রকৃতির বিশ্রাম নেই।
ওরা জানে ওরা এখন সবাই সবার। খুব আপন।
সকলের প্রতিটি রক্তবিন্দু এখন একে অপরকে স্পর্শ করছে।
কাকটা বসেই থাকে
কাকটা বসেছিল, যদিও নির্বিকার
অপেক্ষার সবুজ রোদটা বর্বর ভীষণ
তীক্ষ্ণ নখের আঁচড়ে নীলচে পালকের খসে পড়া
খসছে … … খসেই চলছে … …
ধর্ষণ শেষে ক্লান্ত সময় হাঁফাচ্ছে
গোধূলি সন্ধির পত্রশয্যা
মহাকালের গ্রন্থিছেঁড়া ক’জন মজ্জমনা যুবক-
যুবতী অতিমানবীয় প্রেরণায় গোধূলিলগ্নে
পর্ণশয্যায় পত্রপর্বতের আচ্ছাদনে
ঢাকতে চায় বিবর্ণ সময়, ক্লান্তি, ম্লানিমা।









