এপিটাপ
প্রদীপ মজুমদার
কতটুকু বাকী আছে বল?
ক্লান্তিকর কুয়াশা জড়িত এই বিকেলে
মৎসকন্যার তামাটে ছবি;
ফ্রেমে বাঁধা রাইনোদের অসমাপ্ত যুগ;
আড়ালে নিজেকে ভাঙ্গি।
কোন জানালা নেই
এই মৃত্যু ঘরে একা, নীরব কথোপকথন;
জাহাজ ডুবির গল্প শেষ হলে
কতটুকু বাকী থাকে বলো?
বৃত্তের পরিধি ভেঙ্গে
কোথাও জীবন নেই। জীবনের কিছুটা ফাঁকি, কিছুটা কল্পনা
আজ গুছিয়ে গুছিয়ে সেই শূন্যতার মাঝে রাখতে চেয়েছি
কার্লন সামসুঙ আ এষ্টিম ক্যালভিনেটর;
বুকের সমস্ত রক্ত ঢেলে দিয়ে; অভিমানী বৃষ্টির ডানায়
হয়তো জীবন ভেবে যে জীবন ভুল স্বপ্নে লেখে
তোমাকে পেরুতে চাই।
বৃত্তের পরিধি ভেঙ্গে যেভাবে দাঁড়িয়ে আছো আকাশের নীচে
মনে হয় ছুঁয়ে দেখি সেই স্বপ্ন; সীমাবদ্ধ মাটির যন্ত্রণা।
অক্ষ সফলতা গুলি জীবনের জল পাত্রে দেয়নি কিছুই,
শুধু অবোধ সাঁতারে ভেসে ভেসে একদিন; সমস্তই ছাঁই
এই সব লেখা পত্রে প্রতিটি মূহুর্ত গেঁথে, তবু
তোমাকে পেরুতে চাই।
হে জীবন
বিভা ও বিভূতি ঘিরে যত শৈলী, শিল্প-জাগরন,
তার মাঝে আষ্ঠেপৃষ্ঠে রক্ত ক্ষরণের রাত দিন;
আর চির সবিতায় হেমলকের সবুজ শংকা।
সব প্রচলিত ধারা, জমিয়ে জমিয়ে অন্ধকার;
অন্তর্গত ইশারায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে এক
দূরাগত নিন্মচাপে; কাঁসার ঘন্টায় বেজে ওঠে
ত্রাণ শিবিরের শাঁখ; তর্জনী তুলে ঈশ্বর আসেন
হাতে ঋণ, খাদ্যত্রাণ; বরাভয়ে নিয়ন্ত্রণ জাল।
তারপর আমাদের থেকে থেকে সমর্পন
আর পদ চুম্বনের সেই অনিবার্য প্রদর্শনী।


০ টি মন্তব্য