বাংলা কবিতা
অতঃপর মনসা…
আর যা কিছু দিয়ে যাও সমর্পন অবধি
সহনীয় বকুল ঘ্রাণ অবধি; অবশেষে
তারও বৃক্ষ-শরীর জলে ভিজিয়ে গাও শ্রাবস্তীর পাঁচালি
তাও সয়। জলশোষা শুশুকের জিভ সেজে
কখনো দুপুর; কখনো বাসর করেছো নিঃশেষ
প্রাত্যহিক
আকাশে শকুনের ছড়াছড়ি আজ
মহাভোজ হবে এখানে
ময়দানের অনেকটা ফাঁকা এখনো,
প্রস্তুতি চলছে।
মাতাহি- পরমন্তপঃ
এ কার কোলে বেঁধে মন
রাত্তিরে জ্বেলে প্রদীপের ছোঁয়া
আঁড়ালে আমার বাজে রাশি-রাশি
দুলনি চালের বহমান রূপ।
অমৃত সুধাচার
নব্য নাটিকা ভারে
দু’জন কখন গোপনীয় সাক্ষাতে
গুরুগুরু মেঘে ব্যথা লুকোবার ছলে
নত হই নাই অমৃত সুধাচারে।
যিনি আঁধারে পুড়ছেন
এখন অন্ধচোখ
এ বেলার শুদ্ধ ভাবনা মাড়িয়ে
লোনাবালির পোড়াগন্ধ চুষে চুষে
নিঃশেষ হ’তে থাকে………….।
নাসরিন আপাকে নদীর ওপার থেকে পাঁচটি মোমবাতি
একজন- কী ক’রে কাটায় দিন জানেনা কেউ
কেউ কেউ দেখে, ফেরে সে একাকী ঘরে সন্ধ্যেয়।
দিনের সমস্ত শ্রম তার
ব্যর্থ হয় একজন শিক্ষিকার পেছনে।
আসন্ন নারী ও অন্যান্য কবিতা
বিজয়ের উদ্ভাস চোখে……..
কাজলের উজ্জ্বল কলা, নয়নের সীমা
ঠোঁটের লাবণ্য দিয়ে গড়া বিপুল সময়
নির্ঘুম রাতের চাঁদিয়াল
মোহ নেই তার কোন আজ
একলা শ্রাবণ দূরে যায়….
একা একা বীজ
সবাই এক একটা বীজ হ’য়ে অনন্তের দিকে উড়ে উড়ে গেছে। শুধু তারুণ্যের একটা বীজ একা একা পাখি কিংবা পাহাড়ের মতো নদী হ’য়ে গেছে। এ নদী শ্বাশ্বত কালের, এ নদী ক্লান্তিহীন বোধের। এ নদী সুস্থির। এ নদী স্বপ্নের ছন্দময় ঠিকানা।
কোডিসিল
শুধু তোমার গায়ের ঘ্রাণ-নিঃশ্বাস
আমার শরীরে শরীরে
আদিগন্ত শুধু দেখা যায় তোমার শরীর
নয়নাভিরাম।









