একা একা বীজ
রাজীব দাশ রাজু
শরীরের ঢাল বেয়ে নেমে এসেছে অলৌকিক হলুদ। অহেতুক ব্যস্ততায় জলন্ত জোনাক ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত। প্রপিতামহের অনুষঙ্গ ঝরঝরে শিশির এখন নিরঙ্কুশ পাখি। এ পাখি ত্রাসের বিশ্বকে থমকে দেয়ার। এ পাখি হলুদের অরণ্যে দিক্হারা, সে এখন অসম্ভব কাঙাল নিজের সমূহ বিরোধিতায়। হলুদ অরণ্য থেকে বেরিয়ে এসেছে এক হুলো। অচেনা ভীড়ের ধাক্কায় তার নিজস্ব পোশাক গেছে খুলে। বুক থেকে অবিরল গড়িয়ে পড়ছে লোহিত ধারা। তুমুল উজানে ভাস্তে ভাস্তে ধারাগুলো হ’য়ে গেছে অরণ্যের কাঙ্খিত বীজ ।
পিতা
পিতামহ
গাছপালা
সবাই এক একটা বীজ হ’য়ে অনন্তের দিকে উড়ে উড়ে গেছে। শুধু তারুণ্যের একটা বীজ একা একা পাখি কিংবা পাহাড়ের মতো নদী হ’য়ে গেছে। এ নদী শ্বাশ্বত কালের, এ নদী ক্লান্তিহীন বোধের। এ নদী সুস্থির। এ নদী স্বপ্নের ছন্দময় ঠিকানা।


০ টি মন্তব্য