বাংলা কবিতা
সাদা কালো
ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট স্বপ্নে হিরো হয়ে যায় বনমুর্গি-
রাজহাঁস তার ডিম লুকোবে কার ঘরে?
অথচ সিরিয়াস মুখগুলো রাতের আকাশে বিপন্ন ভীষণ
কমলাপুর- তুমি হাওড়ার মতো বিখ্যাত নও কেন?
সময়গুলো বেয়াড়া বড়
মাংসাশী বলেই কি শুধু টান পড়ে যত্রতত্র?
জমি-জিরাত থাকলে কিছু গল্প হতো
লাঙ্গল নিয়ে যেতাম মাঠে, সময় নিয়ে বাড় ছিল না
রমণীয় বাগান, তুমি আমায় নিয়ে আর খেলো না
প্রথার প্রসাদ
যার জন্যে সপ্তাহান্তে কড়া নাড়া দরোজায়
প্রাত্যহিক গলা টিপে মারা অবরুদ্ধ ইচ্ছের বিস্ফোরন
তখন শুধু তার অনিচ্ছাকৃত কাজ; আরোপিত ব্যস্ততা!
সরলরেখা
আমাদের অন্তর্গত অন্তর্বাসে মলিনতা
মুখোশ শ্রীহীন হবে ব’লে
চুপচাপ বসে থাকা,
প্রিয় তামাক পাতা হয় ছাই
সূর্যের সমান্তরালে হেঁটে যাবো
সারারাত ঘুম ছোঁয়নি চোখের তারা
অবচেতন মনে বিমূর্ত এক চোখ গলে গলে পড়ছে
পোকায় খাওয়া অতীত জির মাটির মত দৃশ্যত
অভূক্ত শিশু নিতম্বশরীর ছোঁয়নি একবারো,
ভেজা নক্ষত্র
মেঘের ষ্টেশনে
ধেয়ে আসছে উল্কার ট্রেন
অভিনব তারকার ঝড়ে
ভেসে যাওয়া বাতাসের
নন্দিত মুখোশ
খরগোশ ও কচ্ছপের নতুন পুরাণ
শামুকের সততা কচ্ছপের মতো ধীর, আর
চতুর খরগোশ সততার করে না তোয়াক্কা
ফলে গল্পের চেয়ে ঢের অসম অসহ হয়
তাহাদের দৌড়; যাদের আদিম অবসাদ ভালো
লাগে, ঘুমের নগ্নতা ঘিরে রাখে যাহাদের স্নায়ূ,
আপেল
একটাই আপেল- দ্বিধাময় ছুরি ছিল কাছে।
শিশুদের চোখে ছিল শিশুতোষ লোভ।
তাই কেটে কুটে সকলের হাতে … …
সারাদিন কেটে যায়- সময়টা আপেল হয়ে
কেটে কুটে এক-ওকে-তোকে।
পলিথিন বিদ্যা
পলিথিন অবিনাশী ব’লে বোধ হয়
ছিঁড়ে খুঁড়ে ফেলে দাও
খণ্ডাংশে রয়ে যাবে আমূল স্বরূপ
আগুনে পোড়ালে সংকুচিত অবস্থানে
ছড়াবে আপন বিভা









