সরলরেখা

রাসেল মৈতালী

এক.
… আর তোমরা তো জানই
কবিরা সব মহারোগে আক্রান্ত।

দুই.
আমাদের অন্তর্গত অন্তর্বাসে মলিনতা
মুখোশ শ্রীহীন হবে ব’লে
চুপচাপ বসে থাকা,
প্রিয় তামাক পাতা হয় ছাই
সময়ের ব্যবধানে; অথচ
সুস্বাদটুকু নিলে প্রেমিকার অভিমান।
ঝরা পাতার মতো ঝরে
নিয়তির মতো ঝরে হায়
কাংখার সুতীব্র সজীব তনু।

আমাদের দিন গুলো মৃত- এইভাবে কাটে
মুখোশ এবং মুখোশের আড়ালে

অতঃপর যাপিত যন্ত্রণাগুলো ফসিল হলে
মুনুষেরা দাফনের কথা ভাবে।

প্রত্নস্বর

যেমন প্রতীক্ষা দীর্ঘায়িত হলে তার নাম হয় বিরক্তি
যেমন প্রলম্বিত প্রত্যাগমন মানেই প্রলয়
যেমন রোজ অহেতুক পাশাপাশি বসে থাকা মানেই সহমরণ
যেমন শীতের দেশে বর্ষা বড় বেমানান
যেমন সীমাহীন ধৈর্য মানেই প্রস্তরমূর্তি
যেমন অতীতকে সংজ্ঞায়িত করা যায় খুব সহজেই
কিংবা শিরোনামে ভবিষ্যতবাণী

তেমন আর কিছুই হয় না সহজে

না সম্পর্কের শুদ্ধ উচ্চারণ
না আমাদের জীবন যাপন।

মন্ত্রমালা

এক.
আত্মবিস্মৃতি যার স্বভাব তার আত্মঅহং বোধ বা
আত্ম বিশ্বাসের অভাব কোন কালেই হয় না।

দুই.
আমি তাই বাড়ন্ত আমায় ভুলে
ফিরে যেতে চাই আমারই মূলে।

তিন.
বিষন্নতা ছুঁয়ে থাকুক সুদিনের আয়ু।

৫ বর্ষ. ৭ সংখ্যা. ফাল্গুন ১৪১০. ফেব্রুয়ারি ২০০৪

০ টি মন্তব্য

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল এড্রেস প্রকাশ করা হবে না। (*) চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে।