বাংলা কবিতা
কথা বলো
তুমি কেন কথা না বলে জঙ্গল কাটছো ভাই?
তোমার কথা শুনতে না পেলে জঙ্গল গজাবেই ঘরে
কথা বলো, তোমর কথাই আমার কথা
আমার আর কথা বলতে ভাল লাগেনা।
ভুবন
ভূগোল থেকে বিচ্ছিন্ন বসত করি অন্য এক ভুবনে
সিথানে আছে এক ভুবন পৈথানে আরেক
তৃতীয় এই মানচিত্র প্রসব করে তৃতীয় জনম
প্রথম ও দ্বিতীয়ের পর তৃতীয় অথবা তেত্রিশ পথের বিকল্প
ঢেউ তুলে যায় চেতনার আদিগন্ত রশ্মি ও রেখায়
রক্ত জবা ও রক্ত গোলাপে
অজ্ঞাত সময় সমর্পিত হলে
পরিগ্রহ রহস্য পরিণতির অযাচিত,
ভাবনায় প্রতিভাসিত
এই মনে যিনি বান্ধবী,
তার সাথে সম্পর্কের বিণ্যাস বিপর্যস্ত।
ব্ল্যাক
ব্ল্যাকের গাড়ী তীব্র ছুটে যায়।
রাত দুপুরে কুকুরের চিৎকার দুর্বোধ্য
আকাশ ভরা নক্ষত্র, নিদ্রাহীন চাঁদ
সব মিলে এই রাত ভীষণ উপভোগ্য।
কবি নামে জপমন্ত্র বৃথা
তোমার চোখের ভেতর
অনন্ত সেই পথ চাওয়া’কে বলছি-
কবি নামে জপমন্ত্র বৃথা
সন্ধ্যা এলে দীঘির জলেই
পাটাতনের পাঁজর ভাঙ্গি
মুহম্মদ মনসুর উদ্দিনের বাড়ী
মনে পড়ে, ৩৭ শান্তিনগর স্বপ্নের আর্কাইভ আমার চিরকাল
ঐ-বাড়ির ছাদে এসে দঁড়াতো সুদীর্ঘ ক্রীসের পাঞ্জাবী
সে-সময় গোপ কম্পন বহু
ধরা পড়তো দোতলার ল্যান্ডিং জুড়ে
তা আবার আমাদের চিলতে ঘরে কথার বিষয় হতো
সাদা কালো
ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট স্বপ্নে হিরো হয়ে যায় বনমুর্গি-
রাজহাঁস তার ডিম লুকোবে কার ঘরে?
অথচ সিরিয়াস মুখগুলো রাতের আকাশে বিপন্ন ভীষণ
কমলাপুর- তুমি হাওড়ার মতো বিখ্যাত নও কেন?
সময়গুলো বেয়াড়া বড়
মাংসাশী বলেই কি শুধু টান পড়ে যত্রতত্র?
জমি-জিরাত থাকলে কিছু গল্প হতো
লাঙ্গল নিয়ে যেতাম মাঠে, সময় নিয়ে বাড় ছিল না
রমণীয় বাগান, তুমি আমায় নিয়ে আর খেলো না
প্রথার প্রসাদ
যার জন্যে সপ্তাহান্তে কড়া নাড়া দরোজায়
প্রাত্যহিক গলা টিপে মারা অবরুদ্ধ ইচ্ছের বিস্ফোরন
তখন শুধু তার অনিচ্ছাকৃত কাজ; আরোপিত ব্যস্ততা!









