ড্রেনের ভেসে যাওয়া জলে চোখ তাকিয়ে রয়
আর পোড়খাওয়া অস্বস্তিতে দিক্বিদিক হারিয়ে,
রোদ-সৌন্দর্য পুড়ে বোহেমিয়ান যেমন
তোমাকে শেখায় ভুল অঙ্কের নামতা।

সংখ্যার গারদে হাঁটি হাঁটি সমস্ত পথ
চক্রাকার হলুদের চিহ্নযোগে—প্রেম যেমন
পথে পড়ে থাকে বিয়োগমুখীর অসত্য ঘ্রাণ!

ভাগ

দায়িত্ব দিয়ে চলে সময়ের সংক্ষেপণ
আর পাখিদের বাসাবাড়িতে ভাড়া থাকে
না-দেখা সময়ের সমস্ত আলিঙ্গন

যেন, ঠোঁটের স্তুতি করে আমাদের দিন।

ভেসে যেতে যেতে উড়তে চাওয়ার মন
ভাবুক সময়ে উঁচু আইফেল টাওয়ার
যোজন দূরত্ব শেষে বিপরীতে বসবাস।

গুণ

মায়া ধরে আসতে থাকো
যেদিক দিয়ে
পৃথিবীর হাঁটি হাঁটি পা হয়ে আমার চোখ যায়
সৌরমণ্ডলের মতো নির্বাক ঘূর্ণিতে পড়ে
প্রচণ্ড তৃষ্ণা বুকপকেটের কলমদানিতে রাখি-
আমার কফির কাপে
দুধ আর চিনির বিয়োগ শেষে
গুণ করতে বসি আচমকা হারিয়ে যাওয়া
তোমার চোখ, কপোলের টিপ আর পাশাপাশি হেঁটে যাওয়া।
বিয়োগ

ব্যর্থ ক্লিশে পার করি অনাগত দিন গুনে
যেখানে সন্ধ্যার আলো লাভায় খুন হতে বড় হয়
চোখের চিহ্ন চেয়ে আঁকিবুঁকি করে দোটানা।

তোমাদের—তোমার চোখ থেকে নেমে আসা জল
স্বচ্ছ চুম্বুকে লিখে থাকে থাকে সাজানো দুঃখ।

সমান

বিশ্বাসের সংক্রমণে আনত চোখ গলে
বেরিয়ে গেল গরম ভাতের ঘ্রাণ
অথচ পথচলা মরুভূমির মতোই
সমস্ত যোগব্যায়াম শেষে পাশাপাশি ঘর।

তুমি জানতে চাইলে এত অসুখ কেন
দুঃখ ছুঁয়ে যে পতিত প্রেমিক—তার
ছায়া ক্রমশ বড় হয় শিউলির ফুল

তোমাদের—তোমার চোখ থেকে
নেমে আসা জল
স্বচ্ছ চুম্বুকে লিখে
থাকে থাকে সাজানো দুঃখ।

০ টি মন্তব্য

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল এড্রেস প্রকাশ করা হবে না। (*) চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে।