আলতো করে

শিশির আজম

ভোর হবার আগেই ঘুম ভাঙলো আমার

খুবই বিরক্তিকর এটা
এই ঘুম ভেঙে যাওয়া
সাতসকালে

ভোরের সুবাস নিতে যারা চায়
নিক
সকালের নরম আলোয়
হাত যারা ধুয়ে নিতে চায়
নিক

আলতো করে একটা পাখি বুকের ওপর চেপে
আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম
ওটা কোথায়
কোথায় উড়ে গেল ও
কেন গেল

গরমের দেশ

মিথ্যে দিয়ে আমাদের আর কদ্দিন বাঁচিয়ে রাখবেন
আমাদের তো চেরিগাছ নেই

আমরা মারা যাইনি আমরা কোনদিন পেট ভরে খাইনি
ইঁদুরের হাসপাতাল
বাঁদরের পরিবেশবান্ধব টেলেস্কোপ
সিনেস্টারদের কালচারাল রজডিম্বানু
বা ব্যক্তিগত দুঃখবোধের মতো
আমাদের আকাশ বা এ্যারোপ্লেন কোনটাই নেই
ছিল না

আমাদের দরজা কখনও রাস্তা অব্দি পৌছায়নি
আদতে কোনটা দরজা আর কোনটা রাস্তা
ঠিকঠাক সেইটাই বা কে বলে দেবে

যে কাব্যগাথা আমাদের শোনানো হয়
তা
রাজার পায়ের কাছে বসে লেখা
আমরা জানি
গরমের দেশ
অথচ কি নিরাসক্তভাবে আমরা ঠান্ডা
আর শান্ত থাকতে পারি

চিতা

চুপ করো
ভাইকিং কথা বলে না ওর ভাষা আছে

ভরদুপুরে মাঝেরা এখন উড়বে
চিঠির অক্ষর
শিশুর পা
নীল রং প্রাণপণে ডেকে নেবে
লাল রংকে
এখন
তোমার রক্ত খাবে
তোমার চিতাবাঘ

আমার নীল আলোয় তোমার দেখা পাবো

যদি আরও বড় হও
আরও
ব্লাক
এ্যাংরি
অর্গ্যানিক
তোমার ডিমের শক্ত খোলস ভেঙে
যদি
বেরোতে পারো

০ টি মন্তব্য

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল এড্রেস প্রকাশ করা হবে না। (*) চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে।