অমৃত সুধাচার

আফরোজ চঞ্চু

নিয়ন আলোয় দৃষ্টি-শব্দ স্থির
রক্ষণশীল বেদনা বৃষ্টি মেঘ
মনের ভেতর চারু-তোলপাড় তোলে
লেলিহান সুখে ভাসে ভালবাসা। তবু-
নব্য নাটিকা ভারে
দু’জন কখন গোপনীয় সাক্ষাতে
গুরুগুরু মেঘে ব্যথা লুকোবার ছলে
নত হই নাই অমৃত সুধাচারে।

মৃত্যু শান্তি স্বাধীনতা অপরিমেয়

মৃত্যু যতোটা উচ্ছৃঙ্খল
তারো চেয়ে বেশী
শৃঙ্খলহীন স্বপ্ন
স্পর্শকাতর স্বপে্ন বিভোর সন্ধ্যা
তারো চেয়ে বেশী কষ্ট-ক্লান্ত স্মৃতি স্বাধীনতা।

মৃত্যু যতোটা বিধ্বস্ত
জীবন ততোটা অবিন্যস্ত দুপুর
স্মৃতিতে মলিন
শালীনতাবিহীন
মিছিলে স্বাধীনতা।

জীবন যতোটা পরিশ্রান্ত
মৃত্যু ততোটা অবিন্যস্ত
জীবনের সাথে
সংগ্রাম পথে
নিবিড় শান্তি
অপরিমেয়
স্বাধীনতা।   

অশ্রুপাত

এই যে আমি বেঁচে আছি
এই যে আমার আঙুল
এই যে আমার শরীর ও কান
এই যে আমার হাত।
এই যে আমি বেঁচে আছি
শ্বাস ফেলবার শব্দ পাচ্ছি
এই যে আমার অঙুরীয়
এই যে অশ্রুপাত।

অনুকা

১.
কল্পণা বিলাসী এক রুদ্র কবি
বিষন্ন সন্ধ্যাকে হাতছানি দেয়-
তারপর নেমে আসে ভয়াল অন্ধকার
কবিতাকে বুকে নিয়ে সাগরে পালায়!

২.
কে কাকে করেছে খুন-
গুণ কে চঞ্চু
নাকি চঞ্চুকে গুণ?

  • কবিতাটির একটি ইতিহাস আশ্রিত সৌরভ রয়েছে। চঞ্চু এবং কবি নির্মলেন্দু গুণের মাঝখানে একটি আশ্চর্য ভালবাসা আছে- যার নাম কবিতা। কবিতাটি একই সঙ্গে একটি ছন্দ এবং একটি ইতিহাস। – সম্পাদক
২ বর্ষ. ৪ সংখ্যা. আষাঢ় ১৪০৮. জুন ২০০১

০ টি মন্তব্য

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ই-মেইল এড্রেস প্রকাশ করা হবে না। (*) চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে।